নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজারস্থ সিস্টেম ইমপেরিয়াল কমপ্লেক্সে জাপানিজ ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘হিকারি এডুকেশন’-এর আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এম এ হালিম ফিতা কেটে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন।
উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের নবনির্বাচিত পরিচালক আলহাজ্ব সেলিম নুর। সমাজসেবী মোহাম্মদ ফারুক-এর সভাপতিত্বে এবং মানবাধিকার ও সুশাসন সংগঠক মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের কো-ফাউন্ডার পরিচালক কাউসার হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের প্রচার সম্পাদক ফরিদুল আলম, ডিসেন্ট হোম বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ জুবায়ের, সমাজসেবী লিটন মহাজন, অ্যাডভোকেট সাইফুদ্দিন ছিদ্দিকী, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ডিজিএম আনোয়ার আজিজ, ব্যবসায়ী আজম হোসেন, আব্দুস সবুর ও মাহবুব আলম, দেওয়ানপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. গফুর ইসলাম, নোয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানে আলম, হারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক এবং পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক সাইদুর রহমান। অনুষ্ঠানে জাপান থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন হিকারি এডুকেশনের পরিচালক আরিফুল ইসলাম কাব্য (টোকিও), মহসিন আহমদ (ওসাকা), চট্টগ্রাম শাখার পরিচালক ইমতিয়াজ ফারুকী (কোবে), জাপান-বাংলাদেশ মেন্টর মমিতা আনোয়ার এবং চট্টগ্রাম শাখার ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসাইন হিমেল।
বক্তারা বলেন, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত বন্ধু রাষ্ট্র। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করা সম্ভব। তারা উল্লেখ করেন, দেশে উচ্চশিক্ষিত জনবলের সংখ্যা বাড়লেও আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা ও ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন কর্মীর ঘাটতি এখনো রয়ে গেছে।
বক্তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘হিকারি এডুকেশন’ জাপানি ভাষা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এ ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি তৈরিতেও প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সফলতা কামনা করেন এবং জাপানমুখী শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য ‘হিকারি এডুকেশন’-এর কার্যক্রমকে সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন।





