কমিউনিটি সেন্টারে চলছে ধুমধাম করে বিয়ের আয়োজন। বরযাত্রী ও মেয়ে পক্ষের আত্নীয়-স্বজন খাবার খেতে ব্যস্ত। এই সময় বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে হঠাৎ বিয়ের আসরে হাজির হলেন নির্বাহী ম্যাজিস্টেট। বন্ধ করে দেন বিয়ের আয়োজন।

স্থানীয় এতিম খানায় পাঠিয়ে দেয়া হলো বিয়ের অবশিষ্ট খাবার। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের খবর পেয়ে বর ও কনে কমিউনিটি সেন্টারে আসেননি। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের বুড়ির দোকান এলাকার লায়লা কমিউনিটি সেন্টারে গতকাল দুপুর ২ টার দিকে বর ও কনে আসার আগেই বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জামশেদুল আলম ।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জামশেদুল আলম বলেন, উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের কাউখালী গ্রামের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীর সঙ্গে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার নোয়াগাঁও এলাকার ২৬ বছরের এক যুবকের বিয়ের আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে ওই বিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে বর ও কনে পক্ষের কাউকে না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তাঁদের আসতে বলা হয়। পরে বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউল গনি ওসমানী’র কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বাল্যবিবাহের আয়োজন করায় বরের বাবাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উভয় পরিবারের লোকজনকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে বুঝানো হয়েছে। ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবে না মর্মে মেয়ের বাবা লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেছেন।