নিউজ ডেস্ক: শোকের মাস আগস্ট উপলক্ষে “আমরা ক’জন মুজিব সেনা” পাহাড়তলী থানা শাখার উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শহীদ ব্যক্তিবর্গের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কাট্টলী ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামিলীগ সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যাপক মো: ইসমাইল, “আমরা ক’জন মুজিব সেনা” চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরফরাজ নেওয়াজ চৌধুরী রবিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবদুল হান্নান,সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রুবেল,কার্যকরী সদস্য মো. জাহেদ খাঁন, থানা সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদুল আলম আরাফাত, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সংগঠক মো. মঞ্জুর বাপ্পী,মো. সোহেল, মো. বাপ্পি হক এবং আমরা ক’জন মুজিব সেনা সংগঠক মুহিদ অনিক,গিয়াস উদ্দিন, ফারুক,তৌহিদ, ইসমাইল, ইফতি,দিনহাজ,রিদুয়ান প্রমুখ।

এসময় আমরা ক’জন মুজিব সেনা চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরফরাজ নেওয়াজ চৌধুরী রবিন সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় বাংলাদেশের স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আমাদের প্রাপ্য ছিল কিন্তু ১৯৭৫ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর ক্যুখ্যাত ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের হাত ধরে ক্ষমতায় আসা খন্দকার মোশতাক। এতে বলা হয়, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত বা পরিকল্পনার সাথে জড়িত কারো বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা করা যাবেনা। এমনকি সুপ্রীম কোর্ট বা কোর্ট মার্শালেও তাদের বিচার করা যাবেনা।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রাপ্তির মৌলিক অধিকারকে খর্ব করে আদেশটিকে আইনে পরিণত করেন জিয়াউর রহমান। এর ধারাবাহিকতায় আজও তার পরিবার বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাকি সদস্যদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। আজকের এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হায়াত দরাজ ও পরিবারের নিহত সদস্যদের রুহের মাগফেরাতের কামনা করি।