মুবিন বিন সোলাইমান,(সরফভাটা) রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সরফভাটা ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব সরফভাটা আইডিয়েল উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী মাহি আক্তারের চিকিৎসায় এগিয়ে এসেছেন মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

গত ১৮ই সেপ্টেম্বর (রোববার) ২০২২ ইং তারিখে মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের কাছে দুটি কিডনি ড্যামেজ রোগী মাহি আক্তারের অবস্থা ও পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কথা তুলে ধরেন সরফভাটা ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি রাইসুল সেলিম ইমন।

এ সময় মন্ত্রী রোগীর কন্ডিশন জানতে চট্টগ্রাম মহানগর আগ্রাবাদে মা ও শিশু হাসপাতাল আই সি ইউ’তে চিকিৎসারত মাহি আক্তারের চিকিৎসক ও পরিবারের সাথে মুঠো ফোনে কথা বলে পরে চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান প্রদান করে এবং সরকারিভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

এর আগে গত শনিবার সরফভাটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সরফভাটা ক্ষেত্রবাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে মাহি আক্তারের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়ালে সামান্য কিছু অর্থ কালেকশন হয়। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সচেতন ব্যক্তিরা বিভিন্ন স্ট্যাটাস দিলে অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়ায়।

উল্লেখ্য, গত রমজানে মাহি আক্তারের পেটের ব্যাথা শুরু হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে নিয়ে যায়, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে রাউজান উপজেলার কসমিক হাসপাতালে নেওয়া হলে রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা দিলে রিপোর্টে দুটি কিতনি ড্যামেজ হওয়ার কথা জানায় চিকিৎসক। এতে ভেঙে পড়ে পুরো পরিবার।

উপজেলা সরফভাটা ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব সরফভাটা কানুরহাট এলাকার শ্রমিক হাফেজ মুহাম্মদ ইউসুফের তিন ছেলে এক মেয়ের মধ্যে মাহি আক্তার তৃতীয় সন্তান। আদরের একমাত্র মেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থী মাহি আক্তারের চিকিৎসা খরচ ও কিডনি রোগের ডায়ালিসিস করতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন পরিবারটি পরে সর্বসাধারণের কাছে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়াই মাহির বাবা।

এদিকে মাহি আক্তারের বড় ভাই শাহাদাত ও তার বাবা মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এবং সেইসাথে সরফভাটা কৃষক লীগের নেতা মোহাম্মদ সেলিম ও যারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন এবং দোয়া করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মাহির জন্য দোয়া অব্যাহত রাখতে বলেন।

তিনি আরো বলেন, “বর্তমানে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে দ্বিতীয় তলায় আই সি ইউ’তে চিকিৎসারত আমার বোনের অবস্থা তেমন ভালো নই, ডাক্তার বলেছেন ডায়ালাইসিস একটা করলে কিছুটা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিন্তু এ পর্যন্ত তিনটি ডায়ালাইসিস করা হয়েছে ডাক্তার আরো জানান বর্তমান কন্ডিশন থেকে একটু ইম্প্রুভ হলে কিডনি ট্রান্সফার করা যাবে”