হারাধন কর্মকার রাজস্থলী।
পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দঃ)-উপলক্ষে রাজস্থলীতে সর্ববৃহৎ জশনে জুলুছ বর্নাঢ্যর্র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উপলক্ষে বর্ণাঢ্য এই জশনে জুলুছের আয়োজন করেছে রাজস্থলী উপজেলা গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ।
রবিবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা রাজস্থলী বাজার থেকে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুছ উপলক্ষে উপজেলা উত্তর দক্ষিণ দিক প্রদিক্ষণ করে ঈদ -এ মিলাদুন্নবী আজিমুশশান নুরানী মিলাদ মাহফিলে এসে শেষ হয়।এই জুলুছে উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকেও শত শত মুসলমান যোগদান করে।
এসময় শত শত লোক জন কালেমা খচিত পতাকা, বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে জুলুছে অংশ গ্রহণ করে। নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবর, নারায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ(দঃ) ধ্বনিতে মূখরিত হয়ে উঠে আকাশ বাতাস। এছাড়াও মন মুগ্ধকর নাতে রাসুল (দঃ) পরিবেশন করতে থাকেন শায়েরগণ। জুলুছের সামনে ছিল শত শত মোটর সাইকেলের বিশাল বহর।
নানা রঙ-বেরঙের ব্যানার ফেস্টুন ও কালেমা খচিত পতাকা নিয়ে শত শত মুসল্লী জুলুছে যোগদান করেন।
উপজেলা গাউছিয়া কমিটির সভাপতি ও ইউপি সদস্য মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন তালুকদার, উদ্ধোধক ছিলেন মাওলানা জাহিদুল আলম আল কাদেরী, প্রধান বক্তা ছিলেন হযরতুলহাজ্ব আল্লামা মুফতি মুঈনুদ্দীন খাঁন মামুন আল কাদেরী, বিশেষ বক্তা ছিলেন মাওলানা মোসলেহ উদ্দীন জাবেদ কাদেরী, মাওলানা মোস্তফা আল কাদেরী, মাওলানা মুহাম্মদ হারুনউর রশিদ আলকাদেরী, মুহাম্মদ মফিজ আহম্মদ তালুকদার, মুহাম্মদ নুরুল আলম।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাফেজ মুহাম্মদ আবু হানিফ সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুহাম্মদ ফজল কাদের।
মোহাম্মদ আবু হানিফ। এসময় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।এসময় বক্তারা বলেন, প্রিয় নবীজি(দঃ)-এর শুভাগমনে আল্লাহ পাক ফেরেশতাদের নিয়ে উর্ধ্বাকাশে জুলুছ করেছিলেন, যা কোরআন-হাদিসের আয়াত দ্বারা সুস্পষ্ট প্রমানিত। এছাড়াও এটি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। এই জুলুছ নতুন কিছু নয়। তাই মিলাদুন্নবী (দঃ) উপলক্ষে জুলুছ করা উত্তম কাজ। দিন দিন জুলুছে লোক সমাগম বাড়ছে বলে সমাবেশে বলা হয়।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যান কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।