রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া সুখবিলাসে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, পদুয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে সুখবিলাসের সার্বজনীন শ্রী শ্রী হরি মেম্বার বাড়ি মাতৃমন্দিরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পদুয়া ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার কাঞ্চন দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু মিল্টন চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন শ্রীমৎ স্বামী প্রসিদ্ধানন্দ সরস্বতী মহারাজ, অধ্যক্ষ, শ্রী গুরু আশ্রম, সুখবিলাস এবং শ্রীমৎ স্বামী গোপালানন্দ মহারাজ, জয়গুরু ধাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পক্ষে উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু জয় চক্রবর্তী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. দয়াল হরি শীল, ডা. তারকেশ্বর দাশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. অরুণ দাশ, ডা. বটন কান্তি দাশ, মাস্টার রাখাল চন্দ্র দাশ, ডা. অংশুমান দাশ, বাবু প্রিয়তোষ চৌধুরী, বাবু শিবু দে, বাবু আনন্দমোহন দাশ, বাবু পল্টন তালুকদার, বাবু রাখাল দাশ, অ্যাডভোকেট মুকুল আচার্য, মদন আচার্য, খোকা নাথ শীল, মাস্টার রনজয় সিকদার, উপপরিদর্শক (এসআই) বাবু দীপংকর কুমার শীল এবং গীতা পাঠক টিটু দাশসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এসময় বক্তারা বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার এক অনন্য মিলনমেলা। উৎসবের আনন্দ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করা সবার নৈতিক দায়িত্ব।
তাঁরা আরও বলেন, দুর্গাপূজার আনন্দ সবার মাঝে ভাগাভাগি করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপরও তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে আয়োজকরা জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় মানুষের হাতে বস্ত্র তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।




